উপজেলা ইউনিয়ন তথ্যাবলী

উপজেলার তালিকা :


 ১। গোপালগঞ্জ সদরউপজেলা
     ()   এক নজরেগোপালগঞ্জ সদর উপজেলার সাধারণ তথ্যাবলী

০১।      আয়তন:           ৩৯১.৩৫ বর্গকিঃ মিঃ 
০২। লোকসংখ্যা: ৩,২০,৩৪০ জন (২০০১-শুমারী)
০৩।     মোটভোটার সংখ্যাঃ   ,৬৭,৪৪৬
০৪।      নির্বাচনীএলাকাঃ২১৬,গোপালগঞ্জ- (সদর কাশিয়ানীর  অংশ)      
০৫।      থানা:    ০১টি
০৬।     পৌরসভা:         ০১টি
০৭।      ইউনিয়ন:          ২১টি
০৮       গ্রাম:     ১৯৭টি
০৯।     ইউনিয়নকমপ্লেক্সঃ          ০৫টি (দূর্গাপুর, চন্দ্রদিঘলীয়া, উলপুর, গোপীনাথপুর লতিফপুর)
১০।      কৃষিসংক্রান্ত
) মোট জমিরপরিমাণ:৩২৪৭০.০০ হেক্টর
) আবাদী জমিরপরিমাণ :৩১১২০.০০ হেক্টর
) সেচকৃত জমিরপরিমাণ: ১৫৭৬৫.০০ হেক্টর

১১। শিক্ষা সংক্রান্ত -
) প্রাথমিক বিদ্যালয়েরসংখ্যা ২১০টি (সরঃ রেজিঃ কমিঃ)
) মাধ্যমিক বিদ্যালয়েরসংখ্যা ৪৭টি
) মহাবিদ্যালয়ের সংখ্যা: ০৫টি
)কারিগরী মহাবিদ্যালয়:  ০৩টি
) পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট০১টি
) মাদ্রাসার সংখ্যা: ০৫টি
) সাধারণ সাক্ষরতারহার :৫৩.৬৪%

১২স্বাস্থ্য সংক্রান্ত -
) হাসপাতাল ০২টি (জেলাসদর + গোপীনাথপুর)
) বেডের সংখ্যা ২৫০ + ১০ টি
) উপ-স্বাস্থ্যকমপ্লেক্স ০১টি
) ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকমপ্লেক্স ১৯টি
) উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রঃ          ০৪টি

 () উপজেলারপটভূমি-
 অষ্টাদশ শতাব্দীরপ্রথম ভাগেগোপালগজ্ঞ এলাকা ফরিদপুর জেলায় মাদারীপুরমহকুমা থানাধীন ছিল। সময়েমাদারীপুরের সাথে এলাকায় জলপথছাড়া কোনস্থল পথেরসংযোগ ছিলনা। কোনস্টীমার বালঞ্চ চলাচলওছিল না।কেবলমাত্র বাচাড়িনৌকা, পানসি নৌকা, টাবুরিয়ানৌকা, গয়নানৌকা, ইত্যাদিছিল চলাচলেরএকমাত্র বাহন।যাতায়াতের অসুবিধার কারণে এলাকায়পুলিশ প্রশাসনছিল খুবইদুর্বল। মামলায়আসামীরা গ্রেফতারেরভয়ে দুর্গমবিল অঞ্চলে  আত্বগোপনকরে থাকত। সমস্তঅসুবিধার দরুণ১৮৭০ সালেগোপালগজ্ঞ থানা স্থাপিত হয়। ১৮৯৪সালের ১৬সেপ্টেম্বর কলকাতা গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমেএর সীমানানির্ধারিত হয়। ক্রমান্বয়ে অঞ্চলেরআইন-শৃংখলাপরিস্থিতি উন্নতি হতে থাকে। বর্তমানেযেখানে থানাঅবস্থিত স্থানে একটিটিনের ঘরেথানা অফিসেরকাজকর্ম চালুকরা হয়।
১৯০৯ সালে কাশিয়ানী, মুকসুদপুর, গোপালগজ্ঞ সদর কোটালীপাড়াথানা নিয়েগোপালগজ্ঞ মহকুমা স্থাপিত হয়। মিশনস্কুলের দক্ষিণপার্শ্বে দেওয়ানীআদালত সাব রেজিষ্ট্রিঅফিসের স্থাননির্দিষ্ট হয়। তার দক্ষিণে মোক্তারলাইব্রেরীসহ ফৌজদারী আদালত ভবন সংশ্লিষ্ট অফিসের জন্য নির্ধারিত হয়।বর্তমানে যেখানেডিসি অফিসসেখানে বিরাটকায়চারচালা গোলপাতারঘর বাঁশেরবেড়া দিয়েফৌজদারী কোর্ট সংশ্লিষ্টঅফিসের জন্যনির্মিত হয়।তার দক্ষিণেবর্তমান জেলখানারস্থানে একটিবিরাটকায় গোলেরঘর তুলেমজবুত বাঁশেরবেড়া অস্থায়ীজেলখানা নির্মিতহয়। বর্তমানেযেখানে মোক্তারবার ভবন স্থানেএকটি ছনেরঘরে মোক্তারগণআইন ব্যবসাশুরু করেন। সময়েকোন উকিলএখানে আইনব্যবসা করতেআসেনি। গোপালগজ্ঞেরপ্রথম মহকুমাপ্রশাসক ছিলেনমি: সুরেশচন্দ্র সেন।১৯৭২ সালের২০ জানুয়ারীগোপালগজ্ঞ পৌরসভা  গঠিত হয়।পৌরসভার প্রথমনির্বাচিত চেয়ারম্যান ছিলেন জনাব মোহাম্মদআলী খান(আবু মিয়া) ১৯৮৪সালের ফেব্রুয়ারীতেগোপালগজ্ঞ সদর থানা উপজেলায় উন্নীতহয়। প্রথমউপজেলা নির্বাহীঅফিসার ছিলেনজনাব এইচনুর মোহাম্মদ।

 ২।মুকসুদপুর উপজেলা
1.      আয়তন- ৩০৯.৬৩ বঃকিঃমিঃ
2.     জনসংখ্যা- ,৮৮,২০৫জন।
             পুরুষ- ,৪৬,২৮৪জন।
             মহিলা- ,৪১,৯২১জন।

3.    ঘনত্ব- ৯৩১জন (প্রতিবঃ কিঃমিঃ)
4.      নির্বাচনী এলাকা- ১টি (২১৫, গোপালগঞ্জ-)
5.     ইউনয়ন- ১৬টি
6.    মৌজা-২০৬টি
7.     স্বাস্থ্য কেন্দ্র- ০৬ টি
8.     ডাকঘর-৩২টি
9.     নদ-নদী- ০১ টি(কুমার নদী)
10. হাট-বাজার-২৭টি
11.  ব্যাংক-১১টি
12.  জমি সংক্রান্ত                      

          একফসলী                 :     ৩৫১২হেক্টর
          দো-ফসলী                 :     ১৯৩২৪হেক্টর
         তিনফসলী                 :      ১৪২০হেক্টর



() উপজেলার পটভূমি-
মুঘল আমলে বঙ্গেবার ভুঁইয়াদেরজমিদারী ছিলএবং ইহা১২টি পরগণায়বিভক্ত ছিল যারএকটি পরগণারনাম ছিলভূষণা এই ভূষণাপরগণায়ই আজকেরগোপালগঞ্জ তথা মুকসুদপুর অবস্থিত বৃটিশ শাসনামলেমুকসুদপুর মহববতপুর, তেলিহাটী, নলদী, আমিরাবাদ, ফতেজংপুর হাবড়ী  পরগণার অন্তর্ভুক্ত ছিল ক্যালকাটাগেজেট পৃষ্ঠানং-১৪৪৩তারিখ-১৫//১৮৯৪অনুযায়ী জানাযায় মুকসুদপুরথানাটি ১৭৯৭খ্রিষ্টাব্দের পরবর্তী  পর্যায়ে প্রতিষ্ঠিতথানা গুলোরএকটি জনশ্রুতি আছেযে,  বর্তমান উপজেলা সদর থেকে কি মিঃপশ্চিমে কদমপুর  মৌজায়তৎকালীন নড়াইলেরজমিদার বাবুরতন কুমারএকটি পুলিশক্যাম্প স্থাপনকরেন তাঁরকাচারী বাড়ীতে বৃটিশরাজত্বে ১৯০৫সালে বঙ্গভঙ্গ ১৯০৯ সালেবঙ্গ ভঙ্গরদ হয়েযাওয়ায় জমিদাররতন বাবুতাঁর এইকাচারী বাড়ীরপুলিশ ক্যাম্পেপূর্ণাংগ থানায়পরিণত করারজন্য কলকাতারলাট ভবনবা রাইটার্সবিল্ডিং এরউচ্চ পদস্থরাজ কর্মচারীজনাব মোকসেদআলী সাহেবেরসার্বিক সহযোগিতাপান এর স্বীকৃতিস্বরুপ জমিদাররতন কুমারকদমপুর পুলিশক্যাম্পকে মোকসেদপুর থানা নামকরণ করেন যারবিবর্তিত রুপমুকসুদপুর থানা পরবর্তীতে উক্তস্থান হতেঅনুমান ১৯২২/১৯২৪ সালেমুকসুদপুর থানা টেংরাখোলা মৌজায় স্থানান্তরিতহয়। এইমোকসেদ আলীরনামানুসারে এই উপজেলার নাম মুকসুদপুরহয়েছে  মর্মে স্থানীয় প্রবীণ  অধিবাসীগণেরধারণা বামনডাঙ্গা অফিস থাকা কালে থানার প্রথমসার্কেল অফিসার(উন্নয়ন) ছিলেনজনাব মহিউদ্দীনআহমেদ (১৯৬১) এবং বর্তমানস্থানে জনাবআশেক আলীভুঁইয়া (১৯৬২-৬৩) উপজেলারখান্দারপাড়া ইউনিয়নে জন্ম গ্রহন করেনপাক ভারতউপ-মহাদেশেরপ্রখ্যাত ঐতিহাসিকএবং ঢাকাবিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য রমেশ চন্দ্রমজুমদার উপজেলারবর্তমান মাননীয়সংসদ সদস্যেরনাম  জনাব মুহাম্মদ ফারুক খান
  () উল্লেখযোগ্যস্থান
ঐতিহাসিক স্থাপত্যনিদর্শনঃ ঐতিহাসিকনিদর্শনে মুকসুদপুরসমৃদ্ধ স্থাপত্য শিল্পেআভিজাত্যের স্বাক্ষর বহন করে আসছেবাটিকামারীর রায় বাড়ী, বনগ্রাম ভুঁইয়াবাড়ী নারায়ণপুরের মুন্সী বাড়ীর দ্বিতল বহুকক্ষ বিশিষ্টইমারত সমূহ মার্বেল মোজাইকপাথরের ব্যবহার নির্মাণশৈলীতে যাআজও কালেরস্বাক্ষী   এখানকারমন্দির সমূহেরবিশেষ কারুকাজআজও বিস্ময়েরবিষয় গোহালার বাজারসংলগ্ন ভবনসমূহ , মোচনা, উজানীর জমিদারবাড়ী, চাওচারদত্ত বাড়ী, চ্যাটার্জি মুখার্জি বাড়ী ,মহারাজপুরেরদত্ত বাড়ীসহশতাধিক ভবনস্থাপত্যের নিদর্শন খানপুরা চৌধুরীবাড়ীর মসজিদ, বালিয়াকান্দী  মসজিদওস্থাপত্যের বিশেষ নিদর্শন বহন করে

 ৩।কাশিয়ানী উপজেলা
()    এক নজরে গোপালগঞ্জ  কাশিয়ানীউপজেলা

                                                                                   

১।আয়তন- ৩০০ :কি:মি:
২।জনসংখ্যা- ,২৮,৬৪৭ জন।
৩।ঘনত্ব- ৭৬২ জন(প্রতি :কি:মি:)
৪।নির্বাচনী এলাকা- ২১৫গোপালগঞ্জ- , ২১৬ গোপালগঞ্জ-
৫।খানা/ইউনিয়ন-       ১৪টি।
৬।মৌজা-১৫৩ টি।
৭।সরকারি হাসপাতাল- ১টি।
৮।স্বাস্থ্যকেন্দ্র/ক্লিনিক- ০৯টি।
৯।পোস্ট অফিস- ১৩টি।
১০।নদ-নদী- ০৩টি।
১১।হাটবাজার- ১৭টি।
১২।ব্যাংক- ০৮টি



() উপজেলার পটভূমি-
কাশিয়ানী এককালের একটিবিখ্যাত গ্রাম।এখন গোপালগঞ্জজেলার একটিউপজেলা। এটি৩০০১৪উত্তরঅক্ষাংশ এবং৮৯০ ১২পূর্ব দ্রাঘিমাংশেঅবস্থিত। কাশিয়ানী-ভাটিয়াপাড়া রেলপথএই উপজেলারযোগাযোগের একটি বড় মাধ্যম। মধুমতিনদী এবংবারাশিয়া নদীওএই উপজেলারমূখ্য নৌপথ।নওয়াব আলীবর্দিখাঁর আমলেএই গ্রামেরজমিদার ছিলেনবাবু দর্পনারায়ণসেন। নিজগ্রামে তিনিস্থাপন করেছিলেনকাশিনাথ দেবের৫টি মূর্তিসহ ৫টিসুদৃশ্য মন্দির।কাশিনাথ দেবেরনামানুসারে দর্পনারায়ণ সেনের গ্রামটির নামহয়ে যায়কাশিয়ানী। এই গ্রামের প্রায় সকলবর্ণ গোত্রের হিন্দুরাবাস করতো।ব্রিটিশ আমলেরপ্রখ্যাত জজবৈদ্যনাথ সেন,আয়ুর্বেদশাস্ত্রী কবিরাজ কৈলাস চন্দ্র সেনছিলেন এইগ্রামের অধিবাসী।১৯০২ সালেতৎকালীন জমিদারগিরীশচন্দ্র সেন কাশিয়ানীতে একটি স্কুলস্থাপন করেন।তাঁর নামানুসারেএই স্কুলেরনাম হয়জি.সি.হাইস্কুল। গোপালগঞ্জজেলায় আসারআগে এটিএকসময় যশোরজেলার অন্তর্গতছিল। মুক্তিযুদ্ধেরসময় কাশিয়ানীতেগুরুত্বপূর্ণ বেশ কয়েকটি অপারেশন পরিচালিতহয়।
  () উল্লেখযোগ্যস্থান - ওড়াকান্দিঠাকুরবাড়ী, ভাটিয়াপাড়া মুক্তিযোদ্ধা বদ্ধভূমি।

 ৪।কোটালীপাড়া উপজেলা
1.      আয়তন- ৩৬২. বর্গকিলোমিটার/৮৯,৪৬৬.০০ একর
2.     জনসংখ্যা-  ,২৭,০২৫ জন(২০০১ সালেরআদম শুমারীঅনুযায়ী)
3.    ঘনত্ব-  ৬২৭ জন (প্রতি বঃ কিঃমিঃ)  ১৬২৪ জন (প্রতি বঃ মাইলে)
4.      নির্বাচনী এলাকা- ২১৭, গোপালগঞ্জ- (কোটালীপাড়া টুংগীপাড়ারঅংশ)
5.     খানা/ ইউনয়ন- টি
6.    মৌজা- ১০০টি
7.     স্বাস্থ্য কেন্দ্র- ০১ (বেডসংখ্যা ৩১টি, ৫০বেডে উন্নয়নেরকাজ চলছে)
8.     ডাকঘর- ২৭টি
9.     নদ-নদী- ঘাঘর
10. হাট-বাজার- ৫১টি
11.  ব্যাংক-০৬টি
 () উপজেলারপটভূমি-
কোটালীপাড়া গোপালগঞ্জ জেলারএকটি উপজেলা।প্রাচীন জনপদ সমতটেররাজধানী ছিলবলে ঐতিহাসিকগণমনে করেন।ভৌগোলিকভাবে কোটালীপাড়া ২২.৯৮ডিগ্রী উত্তরঅক্ষাংশ ৮৯.৯৯১ডিগ্রী পূর্বদ্রাঘিমাংশের মধ্যে অবস্থিত।কোটালীপাড়াউপজেলার উত্তরেগোপালগঞ্জ সদর মাদারীপুর জেলাররাজৈর উপজেলা,দক্ষিণে পিরোজপুরেরনাজিরপুর বরিশালের উজিরপুরউপজেলা,পূর্বেবরিশালের আগৈলঝরাউপজেলা মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলা এবং পশ্চিমেগোপালগঞ্জ সদর টুঙ্গিপাড়া উপজেলা।
) উল্লেখযোগ্য স্থান-  কবিসুকান্ত ভট্টাচার্য্যেরভিটা।



 ৫।টুঙ্গীপাড়া উপজেলা
১।       আয়তন                              :    ১২৭.২৫ বর্গকিলোমিটার
২।       মোটজনসংখ্যা                     : ৮৯,৫৬৮ জন
                        পুরুষ- ৪৯,৪০০জন
মহিলা-৪৫,৪৪০জন।
৩।      ঘনত্ব-                                : ১০১২ (প্রতিবঃ কিঃমিঃ)
৪।      নির্বাচনী এলাকা-                    : ২১৭, গোপালগঞ্জ- (কোটালীপাড়া টুংগীপাড়ারঅংশ)
৫।       মোটজমির পরিমাণ                : ১২,৭২৫ হেক্টর।
আবাদী জমি- ১০০৭৬হেক্টর।
একফসলী  - ৩৯৯৫হেক্টর।
দুই ফসলী  - ৪৬৩১ হেক্টর।
তিন ফসলী  - ১৪৫০ হেক্টর। 
৬।      মোটপরিবারের সংখ্যা            : ১৭০৪০টি।
৭।       পৌরসভা                             : টি।
৮।       ইউনিয়নেরসংখ্যা                 : টি।
৯।       মোটগ্রামের সংখ্যা                  : ৬৯ টি।
১০।     ইউনিয়নভূমি অফিসেরসংখ্যা      : টি।
১১।     মৌজাসংখ্যা                        : ৩৪ টি।
১২।     মহাবিদ্যালয়েরসংখ্যা                 :  টি।
১৩।     মাধ্যমিকবিদ্যালয়ের সংখ্যা          :  ১৫ টি।
১৪।     নিম্ন-মাধ্যমিক বিদ্যালয়               :  টি।

১৫।     সরকারীপ্রাথমিক বিদ্যালয়          :  ৪২ টি।
১৬।     বেসরকারী  প্রাথমিক               :  ২৩ টি।
১৭।     অস্থায়ীরেজিঃ প্রাঃবিদ্যাঃ           : ০২টিঃ
১৮।     কমিউনিটিপ্রাথমিক বিদ্যালয়      :   টি।
১৯।     হাট-বাজার                         : ০৭ টি।
২০।     হাসপাতালেরসংখ্যা               :  টি।
২১।     খাদ্যগুদামের সংখ্যা               :  টি।
২২।     মসজিদেরসংখ্যা                   :  ১৩৬ টি।
২৩।     মন্দিরেরসংখ্যা                     :  ২৪৩ টি।
২৪।     পর্যটনমোটেল                       :  টি।
২৫।     রেষ্টহাউজ                          : টি।
২৬।     অডিটরিয়াম                         : ০১ টি।
২৭।     বঙ্গবন্ধুশেখ মুজিবুররহমানের সমাধিসৌধ:  ০১ টি।
২৮।     মাদ্রাসারসংখ্যা                     :  টি।
২৯।     দুঃস্থশিশু প্রশিক্ষনকেন্দ্র          :  টি।
৩০।     যুব  প্রশিক্ষণকেন্দ্র                  :  টি।
৩১।     উপজেলারিসোর্স সেন্টার          : ০১টি।
৩২।     ব্যাংকেরসংখ্যা                    :  ১০ টি
৩৩।     এন, জি ,                      :   টি।
৩৪।     ঐতিহাসিকগুরুত্বপূর্ণ স্থান                   :  জাতিরজনক বঙ্গবন্ধুশেখ মুজিবুররহমানের সমাধিসৌধ গওহরডাঙ্গা মাদ্রাসা।



.      বিশিষ্টব্যক্তিত্ব-

জাতির জনক বঙ্গবন্ধুশেখ মুজিবুররহমান (রাজনীতিবিদ প্রাক্তনপ্রেসিডেন্ট), শেখ হাসিনা    (রাজনীতিবিদ বর্তমানপ্রধানমন্ত্রী), শেখ ফজলুল করিম সেলিম(রাজনীতিবিদ সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী), ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূরতাপশ ( রাজনীতিবিদ ঢাকা- ১২ সাংসদ)

 টুঙ্গীপাড়ার বিশেষত্ব-

প্রশাসন টুঙ্গিপাড়া থানাকেউপজেলায় রূপান্তরকরে ১৯৯৫সালে। টুঙ্গিপাড়াপাটগাতী ইউনিয়নেরঅন্তর্গত একটিগ্রাম। বর্তমানেটুঙ্গিপাড়া একটি থানা সদর। ১৯৬৪সালে এখানেপ্রতিষ্ঠিত হয় গিমাডাঙ্গা টুঙ্গিপাড়া উচ্চইংরেজী বিদ্যালয়।১৯৬৬ সালেগিমাডাঙ্গা আইডিয়াল জুনিয়ার হাইস্কুল প্রতিষ্ঠিতহয়। শিক্ষাবিস্তারে স্কুলদুটির ব্যাপকভূমিকা রয়েছে।বর্তমানে এখানেএকটি কলেজরয়েছে,যারনাম শেখমুজিবুর রহমানমহাবিদ্যালয়। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখমুজিবুর রহমান(১৯২০-১৯৭৫) এই গ্রামেজন্মগ্রহণ করে। ১৯৭৫ এর ১৫আগষ্ট তাকেসপরিবারে হত্যাকরে খুনীরাইতাঁর মরদেহএখানে সমাহিতকরে। তাঁরজন্মদিনে   (১৭ মার্চ) এইস্থান উৎসবেপরিণত হয়।তাঁর মহাপ্রয়াণদিনে জাতীয়শোকদিবসের মূল অনুষ্ঠান এখানে পালিতহয়। এটিএখন বাঙালিরতীর্থস্থানে পরিণত হয়েছে। টুঙ্গিপাড়ার পাশেইবিখ্যাত পাটগাতীবন্দর। প্রধানমন্ত্রীশেখ হাসিনা- এক স্মৃতিমূলক রচনায়টুঙ্গিপাড়ার চমৎকার বর্ণনা পাওয়া যায়:-

নদীর (বাইগার) পাড়ঘেঁষে কাশবন, ধান-পাট-আখ ক্ষেত, সারিসারি খেজুর, তাল-নারকেল-আমলকি গাছ, বাঁশ-কলাগাছেরঝাড়, বুনোলতা-পাতারজংলা, সবুজঘন ঘাসেরচিকন লম্বাসতেজ ডগা।শালিক-চড়ুইপাখিদের কলকাকলি, ক্লান্ত দুপরেঘুঘুর ডাক।সব মিলিয়েভীষণ রকমভালোলাগার একটুকরো ছবি যেন। আশ্বিনেরএক সোনালিরোদ্দুর ছড়ানোদুপুরে এইটুঙ্গিপাড়া গ্রামে আমার জন্ম। গ্রামেরছায়ায় ঘেরা, মায়ায় ভরাপ্রাকৃতিক সৌন্দর্য শান্ত নিরিবিলিপরিবেশ এবংসরল-সাধারণজীবণের মাধুর্যেরমধ্য দিয়েআমি বড়হয়ে উঠি।আমাদের বসতিপ্রায় দুশোবছরের বেশিহবে। সিপাহিবিপ্লবের আগেতৈরি করাদালান কোঠাএখনও রয়েছে।আমাদের আত্মীয়-স্বজনরা সেখানেবসবাস করেন।তবে বেশিরভাগ ভেঙ্গেপড়েছে, সেখানেসাপের আখড়া।নীলকরসাহেবদের সঙ্গেআমাদের পূর্বপুরুষদেরঅনেক গোলমালহতো। মামলামোকদ্দমা হয়েছে।ইংরেজ সাহেবদেরসঙ্গেও গন্ডগোললেগেই থাকতো।একবার একমামলায় একইংরেজ সাহেবকেহারিয়ে জরিমানাপর্যন্ত করাহয়েছিল। ইতিহাসেরনীরব স্বাক্ষীহয়ে সেইভাঙা দালানএখনও বিধ্বস্তঅবস্থায় রয়েছে।১৯৭১ সালেবাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকসেনাবাহিনী দালানের ওপরহামলা চালিয়েছিলো।আমার দাদা-দাদীকে রাস্তায়বসিয়ে রেখেআগুন জ্বালিয়েপুড়িয়ে দিয়েছিলো।আমার দাদারএকটি বড়নৌকা ছিলো, যার ভেতরেদুটো ঘরছিলো। জানালাওছিলো বড়বড়। নৌকারপেছনে হাল,সামনে দুইদাঁড় দেখতেআমার বড়ভালো লাগতো।১৯৭১-এরমুক্তিযুদ্ধের সময় সেই নৌকা ভেঙ্গেনষ্ট হয়েযায়। শৈশবেরফেলে আসাসেই গ্রামআমার কাছেএখনও যেনসুবাসিত ছবিরমতো। আমারবাবার জন্মস্থানওটুঙ্গিপাড়ায়। তিনি এখন গ্রামেরমাটিতেই ছায়াশীতলপরিবেশে ঘুমিয়েআছেন। তারপাশেই আমারদাদা-দাদীরকবর। যারাআমার জীবণকেঅফুরন্ত স্নেহমমতাদিয়ে ভরিয়েতুলেছিলেন,আজ আমার গ্রামের মাটিতেইতারা মিশেআছে। ১৯৭৫-এর ১৫আগষ্ট ঘাতকেরনির্মম বুলেটেআমার মা, বাবা, ভাই আত্মীয়-পরিজন অনেককেহারাই। দেশ জাতিহারায় তাদেরবেঁচে থাকারসকল সম্ভাবনা,আশা-আকাঙ্খারস্বাধীন সত্তাবঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। ঘাতকেরদল বাংলারপ্রাণকেন্দ্র ঢাকা থেকে সরিয়ে সেইমহাপুরুষকে নিভৃতে পল্লীর মাটিতেই কবরদিয়েছে। ইতিহাসেরপাতা থেকেতাকে মুছেফেলার ব্যর্থপ্রয়াস চালিয়েছে- কিন্তু পেরেছেকি?’’
 () উপজেলারপটভূমি, ইতিহাস সংস্কৃতি:-
লাল সবুজের দেশআমাদের এইবাংলাদেশ। দেশেরই দক্ষিণভাগে একসময়ের স্রোতস্বিনীমধুমতির কোলঘেঁষে গড়েউঠেছে উপজেলাটুংগীপাড়া। যার বুক জুড়ে রয়েছেকাকের চক্ষুমাজা স্বচ্ছজলের ধারাবাঘিয়া নদী, রয়েছে মাছে-ভাতে বাঙালিরহরেক রকমমাছের আধারবর্ণি বাওড়।আরো আছেনানা রকমফসল উৎপাদনেরজন্য বিস্তীর্ণবিল চরাঞ্চল। তবেসবকিছু ছাপিয়েরয়েছে দুটিসুগগ্ধি গোলাপ-যার একটিরাজনৈতিক অন্যটিধার্মিক।
একটি পৌরসভা পাঁচটি ইউনিয়ননিয়ে গঠিতমাত্র ১২৭.২৫ বর্গকিলোমিটার আয়তনের টুংগীপাড়া উপজেলার নামকরণে রয়েছেঅভিনবত্ব- শোনা যায় পারস্য এলাকাথেকে আগতকতিপয় মুসলিমসাধক অত্রএলাকার প্লাবিতঅঞ্চলে টংবেঁধে বসবাসকরতে থাকেনএবং কালক্রমে টংথেকেই নামহয় টুংগীপাড়া।টুংগীপাড়া উপজেলার উত্তরে রয়েছে গোপালগঞ্জজেলা সদর,দক্ষিণে পশ্চিমে মায়াবতীমধুমতি। মধুমতিরঅপর পাড়েরয়েছে ধর্মীয়সাধক পুরুষমরহুম খানজাহানআলী (রাঃ)এর পূণ্যভূমি বাগেরহাটজেলার চিতলমারী মোল্লারহাটউপজেলা। আরপূর্বে রয়েছেকিশোর কবিসুকান্ত ভট্টাচার্যেরআদি তীর্থভূমি গোপালগঞ্জজেলার কোটালীপাড়াউপজেলা। আয়তনেছোট এবংনামে অভিনবত্বথাকলেও বর্তমানবাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে টুংগীপাড়ায় রয়েছে গৌরবদীপ্তইতিহাস ঐতিহ্য।

এলাকার মানুষের প্রধানউপজীবিকা কৃষি।তবে চাকুরীজীবি ব্যবসায়ীরসংখ্যাও নিতান্তকম নয়।তবে সাধারণভাবে মানুষেরঅর্থনৈতিক অবস্থা ততটা ভাল নয়।কারণ রাজনৈতিকপ্রতিহিংসার কারণে বরাবরই টূংগীপাড়া অবহেলিত।ফলে এখানেমানুষের কর্মসংস্থানেরব্যবস্থা তেমনজোরালো ভাবেবা দৃঢ়ভাবেগড়ে উঠেনি।
ফরিদপুর, মাদারীপুর, পিরোজপুর বাগেরহাটেরনিকটবর্তী এলাকা হওয়ায় অত্র এলাকারমানুষের আঞ্চলিকভাষা অনেকটামিশ্র প্রকৃতির।গানের মাধ্যমেঅত্র এলাকারভাষা প্রকৃতিসম্পর্কে কিছুটাধারণা পাওয়াযায়-
"বেয়ান বেলা কোয়ানেগ্যালা ছাওয়ালের মা
আল চষতি যাবআমি ভাতদিয়া যা
মুঠ্যা শুগোতি দিচ্ছিআমি তুমিচিল্লাও ক্যা
আল ব্যাচা টাহানিয়া হাটেযাবানি
হলদ্যা একখান কাপুড়তোরে কিন্যাদিবানি
তোমার দ্যায়া নাগবেনানে কিন্যানিবানি
আমি মুঠ্যা ব্যাচাটাহা দিয়াবিন্যা নিবানি
তা অলিতো বালঅবেনে থামিনিকবানি
আমি থামি কিনবানি
স্বাত্তপর এমন বিটারঘর আমিকরি
ইচ্চে অয় চল্যাযাই বাপেরবাড়ি
যাতি যদি পারতিতুই কবেচল্যা যাতি
আমার মত বাজানআর দেবেনানে খাতি
খাওয়ার খোটা দিলিতুই ওরেহালোর বিটা
এহনই দিলাম আমিবাপের বাড়িহাটা
কি করিস তুইকরিস কি ছাওয়ালেরমা
ভাত দেয়া নাগবেনাতুই মুঠ্যাশুগোতি যা
হু............................................উ।"

  () উল্লেখযোগ্যস্থান :
জাতির জনক বঙ্গবন্ধুশেখ মুজিবুররহমানের সমাধিসৌধ কমপ্লেক্স,গওহরগাঙ্গা জামেয়াইসলামিয়া দারুলউলুম খাদেমুলইসলাম মাদ্রাসা