গওহরডাঙ্গা মাদ্রাসা :
 টুংগীপাড়া উপজেলারগওহরগাঙ্গা গ্রামে মুসলীম বীর ইখতিয়ারউদ্দীন মুহম্মদবিন বখতিয়ারখিলজীর বঙ্গবিজয়ী তেজতীপ্তসতের সৈনিকেরএক সৈনিকেরইউত্তরসুরী মরহুম পিতা মুন্সি মোহাম্মদআব্দুল্লাহ এবং মরহুমা মাতা আমেনাখাতুনের আঙ্গিনায়ফুটে ওঠেইসলাম সাধকরূপী সুগন্ধিএক সাদাস্বগীয় গোলাপ-দক্ষিণ পূর্বএশিয়ার উজ্জ্বলতমসূর্য,    জামানার হাদী, যুগ সংস্কারক, রেনেসাঁ অন্দোলনেরঅগ্রদূত মুজাহিদেআযম, আলেমেরববানী, আল্লামাহযরত মাওলানাশামছুল হকফরিদপুরী (রাঃ) ওরফে ছদর সাহেব(১৮৯৮-১৯৬৯) মহান স্বর্গীয়সাধকের ছোঁয়ায়টুংগীপাড়া  আজ এক অন্যতমধর্মীয় তীর্থভূমি। তাঁরহাতে গড়াগওহরগাঙ্গা জামেয়া ইসলামিয়া দারুল উলুমখাদেমুল ইসলামমাদ্রসা আজলাখো মুসল্লিরআনাগোনায় মুখরিত।এই মাদ্রাসায়আয়োজিত বার্ষিকওয়াজ মাহফিলশুধু ধর্মীয়অনুষঙ্গই নয়বরং সামাজিকভাবেও একটিগুরুত্বপূর্ণ অংশে পরিণত হয়েছে। কারণ সভাবা মাহফিলকেকেন্দ্র করেঅত্র এলাকায়যেন একটাঈদের আমেজবিরাজ করে।দূর দুরান্তথেকে আসামুসল্লিদের মেহমানদারীতে মেতে ওঠে নিকটবর্তী  এলাকারসর্বস্তরের মানুষ। এই মহান ব্যক্তিরহাতে গড়েওঠা হাজারহাজার মসজিদ-মাদ্রাসা (আসরাফুলউলুম মাদ্রাসা, জাতীয় মসজিদবায়তুল মোকাররমসহ) সামাজিক প্রতিষ্ঠানপ্রতিনিয়ত টুংগীপাড়ার ইতিহাস ঐতিহ্যকে ধারনকরেছে।

জগদান্দ মহাশয়ের তীর্থভূমি:
 হিন্দু ধর্মসম্প্রদায়ের দিক থেকে টুংগীপাড়ায় রয়েছেগর্ব করারমত ব্যক্তিত্ববিশেষত বাঁশুড়িয়াগ্রামের প্রয়াতজগদান্দ মহাশয়েরকথা সর্বজনবিদিত। তাঁরসামাজিক মানবিক দায়বদ্ধতাআজও মানুষকেঅনুপ্রাণিত করে। আজও তাঁর তীর্থভূমি কেন্দ্রকরে গড়েওঠে হিন্দুমুসলিমের মিলনমেলা। যেমেলা টুংগীপাড়াবাসীর ইতিহাস- ঐতিহ্যের একউজ্জলতম ধারক বাহক।