• সবচেয়ে বেশি বয়সে র্যাঙ্কিং শীর্ষে উঠেছেন কদিন আগে।
সেমিফাইনালে উঠেই র্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষস্থান নিশ্চিত করেছেন, তবে ফাইনাল জেতাই তাঁর মূল লক্ষ্য, সেটা জানা কথা। তবে ২০ ঘণ্টারও কম সময়ে সেমিফাইনাল ও ফাইনাল খেলার ধকল কতটা নিতে পারবেন, তার সংশয় ছিল। তবে সে সংশয় দূর করে রজার ফেদেরার তাঁর ক্যারিয়ারের ৯৭তম ট্রফি জিতে নিয়েছেন।
৩৬ বছর বয়সে এসেও চুল পরিমাণ সুযোগ দেননি গ্রিগর দিমিত্রভকে। বুলগেরিয়ার খেলোয়াড়কে ৬-২, ৬-২ গেমে হারিয়ে রটারডাম ওপেনের ট্রফি নিজের করে নিয়েছেন ফেদেরার। ক্যারিয়ারে ২০টি গ্র্যান্ড স্লামজয়ী ফেদেরারের কাছে একেই জীবনের অন্যতম সেরা সপ্তাহ মনে হচ্ছে। ফেদেরারের মতো খেলার ধরন বলে দিমিত্রভকে ‘বেবি ফেদেরার’ ডাকা হতো একসময়। তবে ফাইনালে ‘বেবি’ পাত্তা পাননি আসল ফেদেরারের কাছে। অথচ এ টুর্নামেন্ট জেতার আশাও করেননি ফেদেরার, ‘আমার মূলত লক্ষ্য ছিল সেমিফাইনাল খেলা। ফাইনাল জেতার পর অবশ্যই ভালো লাগছে।’
২০১২ সালের অক্টোবরের পর এই প্রথম র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে উঠে এলেন ফেদেরার। ছয় বছর পরে সেরা হওয়ার অনুভূতিই অন্য রকম ছিল, ‘ছয় বছর পর সেরা হওয়া আমার নিজের কাছে অবিশ্বাস্য ছিল। আমি সেরাটা জমিয়ে রেখেছিলাম ফাইনালের জন্য। বছরের শুরুটা আমার জন্য দুর্দান্ত হয়েছে। তবে প্রথম স্থানে আসার পর কিছুটা নার্ভাস ব্রেকডাউন হয়েছিল। তবে তা খুব সহজেই সামলে উঠেছি।’
প্রতিপক্ষ দিমিত্রভের প্রশংসাও করলেন ম্যাচ শেষে, ‘ও অনেক ভালো খেলোয়াড়। তবে আমি আরেকটু ভালো ম্যাচ আশা করছিলাম। মাঝে ওকে একটু খাপছাড়া লাগছিল। তবে ও ভবিষ্যতে অনেক ভালো করতে পারবে।’
পূর্ণাঙ্গ এক ক্যারিয়ারে এখন ফেদেরারের চাওয়া ট্রফির সেঞ্চুরি। তবে ১০০ ট্রফির জন্য এখনো অনেক কষ্ট করতে হবে, স্বীকার করলেন টেনিস রাজা, ‘১০০ এখনো হয়নি, আরও বাকি আছে। আমার মূল লক্ষ্য থাকবে সুস্থ থেকে এগিয়ে যাওয়া।’ তাঁর চোখ যে জিমি কনর্সের গড়া ১০৯ ট্রফির রেকর্ডের দিকে, তা নিশ্চয় বলা লাগছে না!


0 Comments