বার্সেলোনা থেকে একের পর এক ভেতরের দ্বন্দ্বের খবর আসছে। যে দ্বন্দ্বে ক্লাবের সভাপতি হোসে মারিয়া বার্তোমেউসহ বোর্ডের অনেক পরিচালক তো আছেনই, জড়িয়েছেন খেলোয়াড়েরাও।
কারা কারা আছেন, সেটির খোঁজে নেমে ফুটবলবিষয়ক ব্লগ গোলডটকম জানাচ্ছে, খেলোয়াড়দের মধ্যে লিওনেল মেসি আর জেরার্ড পিকের কণ্ঠই বার্সার গৃহযুদ্ধে সবচেয়ে জোরালো।

কিছুদিন আগে উঠেছিল নিকৃষ্ট অভিযোগ। কাতালান পত্রিকা কাদেনা সের–এ অনুসন্ধানী প্রতিবেদন, বার্সা সভাপতি বার্তোমেউ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে আর তাঁর ‘শত্রু’দের নামে কুৎসা রটাতে ক্লাবের টাকায় একটি প্রতিষ্ঠানকে ভাড়া করেছেন। সেই ‘শত্রু’দের তালিকায় মেসি-জাভি-গার্দিওলা-পুয়োলের নামও আছে! ‘বার্সাগেট’ নামের সেই কলঙ্ক নিয়ে ধোঁয়াশাকে কারণ দেখিয়ে কদিন আগে ক্লাবের ছয়জন পরিচালক বোর্ড থেকে সরে গেছেন।

এর মধ্যে করোনাভাইরাসের সময়ে হলো আরেক ঝামেলা। ক্লাবের পক্ষ থেকে খেলোয়াড়দের বেতন কমাতে বলা হলেও খেলোয়াড়েরা রাজি নয়, এমন একটা খবর প্রথমে সংবাদমাধ্যমে আসে। কিন্তু খেলোয়াড়েরা পরে ৭০ শতাংশ বেতন তো কমিয়েছেনই, নিজেদের পকেট থেকেও বাড়তি অর্থ দিয়েছেন, যাতে ক্লাবের কর্মীরা এই কঠিন সময়ে পুরো বেতন পান। সেটির ঘোষণা দিতে গিয়ে মেসি ইঙ্গিত দেন, ক্লাবের বোর্ডের কেউ খেলোয়াড়দের চাপে ফেলতে সংবাদমাধ্যমে এমন খবর রটিয়েছে।

প্রতিদিনই এমন ঝামেলায় জড়িয়ে পড়া বার্সার গৃহযুদ্ধে মূল কুশীলব কারা? আগামী নির্বাচনে না দাঁড়াতে পারলেও বার্তোমেউ তো সবকিছুর কেন্দ্রেই। আর খেলোয়াড়দের মধ্যে মেসি ও ভবিষ্যতে বার্সেলোনার সভাপতি হতে চাওয়া পিকে। মেসির ভূমিকা নিয়ে গোলডটকমের বিশ্লেষণ, মেসি সরাসরি কখনো এসব ব্যাপারে জড়াতে চান না ঠিকই। হয়তো আগামী নির্বাচনে কারও পক্ষ নেবেন না। তবে এমন একজন শক্ত সভাপতি চান, যিনি সঠিক খেলোয়াড় নিয়ে আসতে পারবেন দলে।

সুত্রঃ প্রথম-আলো